banglanewspaper

নানা পাটেকর মিথ্যে কথা বলছেন। নিজের কাজ হারিয়ে তিনি এখন এইসব বাজে কথা বলে চলেছেন। এমনটাই জানালেন তনুশ্রী দত্তের আইনজীবী। তিনি আরও বলেন, পুলিশ তাকে ক্লিনচিট দেয়নি। তার বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। তিনি মিথ্যে কথা বলে যাচ্ছেন। তদন্তকারীরা কোনও সিদ্ধাতেই আসতে পারেননি। তার আগেই কী করে কেউ ক্লিনচিট পেয়ে যান? প্রশ্ন তনুশ্রীর আইনজীবীর। 

তিনি আরও বলেন, চার ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে। এর পরেই প্রত্যেকের নাম সামনে আসতে থাকে। তিনি এখন চাইছেন কোনও মতে মামলাটা ধামাচাপা পড়ে যাক এবং তিনি বলিউডে আবার ফিরে আসবেন। কিন্তুতা হতে দেওয়া যাবে না। নানা পাটেকর সবরকম চেষ্টা করছেন। কিন্তু কিছুই করে উঠতে পারবেন না। তিনি সবাইকে ভুল পথে নিয়ে যাওয়ার জন্য উঠে পড়ে লেগেছেন।

আইনজীবী অভিযোগ করেন, তিনি আইনব্যবস্থাকে ভুল পথে চালিত করার চেষ্টা করছেন। আমরা তার বিরুদ্ধে কঠোর পদক্ষেপ নেব। তিনি ঘটনার প্রতক্ষ্যর্দশীদের ভয় দেখাচ্ছেন। ১০-১৫ জন সাক্ষীদের বয়ান রের্কড করা হয়েছে। নানা পাটেকর তাদেরকে ভয় দেখাচ্ছেন। আমাদের কাছে অডিও রের্কডও রয়েছে। সত্যকে আটকানো যাবে না বলে জানান তিনি।

২০০৮ সালে ‘হর্ণ ওকে প্লিজ’ ছবির একটি গানের শ্যুটিংয়ের সময় নানার বিরুদ্ধে যৌন র্নিযাতনের অভিযোগ তোলেন তনুশ্রী দত্ত। শুধু নানাই নন, তনুশ্রী কোরিওগ্রাফার গণেশ আর্চায এবং ছবির পরিচালকের বিরুদ্ধে যৌন র্নিযাতনের অভিযোগ তোলেন।