banglanewspaper

রাণীনগর (নওগাঁ) প্রতিনিধি: নওগাঁর রাণীনগরে বিবাদমান জায়গার সজিনার গাছের ভেঙ্গে পড়া ডাল নিয়ে মারামারিতে দুইপক্ষের নারী-পুরুষসহ অন্তত ১৫ জন আহত হয়েছে। বৃহস্পতিবার উপজেলার মিরাট ইউনিয়নের মিরাট দক্ষিন পাড়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটে।

দুই পক্ষের গুরুত্ব আহতদের রাণীনগর হাসপাতালে ভর্তি করানো হয়েছে। এ ঘটনায় রাণীনগর থানায় পাল্টা-পাল্টি অভিযোগ দায়ের করেছে দুইপক্ষ।

জানা গেছে, মিরাট দক্ষিণপাড়া গ্রামের আব্দুস ছালামের ছেলে মোতাহার হোসেনের সাথে প্রতিবেশি মৃত আনচানের ছেলে আজিজার রহমানের সাথে মোতাহারের পৌত্রিক ২ শতক ও ক্রয়কৃত ২ শতক জায়গা নিয়ে দীর্ঘ দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। বিষয়টি নিয়ে স্থানীয়ভাবে মিমাংসা করার চেষ্টা করেও ব্যর্থ হয় অনেকেই। এই জায়গাকে কেন্দ্র করে অনেক ঘটনার পর মোতাহার হোসেন তাদের বিরুদ্ধে একটি মামলাও করেছে আদালতে তা চলমান রয়েছে।

এরই মধ্যে এদিন ফজরের নামাজের পড় বিবাদমান ওই জায়গার একটি সজিনা গাছের ভেঙ্গে পড়া ডাল নিয়ে মোতাহার হোসেনের পক্ষের ও আজিজার রহমানের পক্ষের লোকজনদের মধ্যে কথা কাটা-কাটির এক পর্যায়ে মারপিটের ঘটনা ঘটে। এতে আজিজার রহমান এর পক্ষের ৮ জন আহত হন ৩ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে আছে আর ৫ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে। মোতাহার হোসেনের পক্ষের ৭ জন আহত হয় ৩ জন প্রাথমিক চিকিৎসা নিয়ে বাড়িতে আছে আর ৪ জন হাসপাতালে ভর্তি রয়েছে।

মোতাহার হোসেনের অভিযোগ, আমাদের পৌত্রিক ২ শতক ও ক্রয়কৃত ২ শতক জায়গা নিয়ে তাদের সাথে দীর্ঘ দিন ধরে দ্বন্দ্ব চলছিল। এদিন আমার জমির সিমানার সাজিনার গাছের ভেঙ্গে পড়া ডাল আমার লোকজন বাড়িতে নিয়ে গেলে আজিজার রহমানের লোকজন আমার বাড়িতে এসে আমার লোকজনদের ব্যাপক মারপিট করে। এতে করে আমার মা-বাবা, ভাইসহ আমার ৭ জন লোক আহত হয়েছে।

আজিজার রহমানের অভিযোগ, আমার স্ত্রী টপি বিবি এদিন ফজরের নামাজের পরে আমার ভাইয়ের ক্রয়কৃত জমির একটি সাজিনার গাছের ভেঙ্গে পড়া ডালের পাতা একটি গাসিকে দেওয়ার জন্য নিতে গেলে পাতা হাতে নিলেই মোতাহার হোসেনের লোকজন আমার স্ত্রীসহ আমার লোকজনদের মরপিট করে। এতে আমার ৮ জন লোক আহত হয়। তিনি আরো বলেন, মোতাহার হোসেনের জমি নিয়ে আমাদের সাথে কোন দন্দ চলছে না এটা মিথ্য কথা।

এ ব্যাপারে রাণীনগর থানার ওসি এএসএম সিদ্দিকুর রহমান বলেন, ‘এ ঘটনায় উভয় পক্ষ পাল্টা-পাল্টি  থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। সুষ্ঠু তদন্ত সাপেক্ষে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।’