banglanewspaper

নিজস্ব প্রতিবেদক: পিছিয়ে পড়া নারীদের কর্মসংস্থান ও শিক্ষাক্ষেত্রে নারীদের বিশেষ অবদান রাখাই হবে আমার প্রধান কাজ। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা যদি চান তাহলে সংরক্ষিত নারী আসনে এমপি হবো। একাদশ জাতীয় সংসদের সংরক্ষিত আসনের সদস্য পদে আওয়ামী লীগের মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ শেষে সাংবাদিকদের এ কথা বলেন চৌধুরী নূরজাহান মঞ্জুর

বৃহস্পতিবার ধানমন্ডির দলীয় সভানেত্রীর কার্যালয় থেকে তিনি মনোনয়ন ফরম সংগ্রহ করেন। চৌধুরী নূরজাহান মঞ্জুর সাতক্ষীরা পৌর যুবলীগের সহ-সভাপতি ও সাতক্ষীরা পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির সাবেক সভানেত্রী।

ফরম সংগ্রহ শেষে তিনি সাংবাদিকদের বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রী যদি চান তাহলে আমি সংরক্ষিত আসনে এমপি হব। সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে তিনি নারী সমাজকে জাগিয়ে তুলব। তাছাড়া দারিদ্র্যের সংস্কৃতি থেকে তাদেরকে বের করে আনতে কাজ চালিয়ে যাবো।’

দলীয় সূত্রে জানা গেছে, বিগত সংসদের সংরক্ষিত আসনের আওয়ামী লীগের এমপিদের মধ্যে বেশির ভাগই বাদ পড়বেন। এজন্য ২৫ জেলায় স্থানীয় রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত জনপ্রিয় নারীনেত্রীদের নাম অনুসন্ধান করছে ক্ষমতাসীন দল। সরাসরি ভোটে পাওয়া আসনের আনুপাতিক হারে আওয়ামী লীগ ৩৪টি পদ পাচ্ছে বলে জানা গেছে।

নূরজাহান মঞ্জুর বলেন, ‘সংরক্ষিত আসনে সাংসদ হলে তিনি নিষ্ঠার সঙ্গে কাজ করবেন। এলাকার উন্নয়নে বিশেষ অবদান রাখবেন। এছাড়া সাম্প্রদায়িক ও মৌলবাদের বিরুদ্ধে তিনি নারী সমাজকে জাগিয়ে তুলবেন। তিনি জানান, সংরক্ষিত আসনের সদস্য হিসেবে তিনি বেশি গুরুত্ব দেবেন নারীদের উন্নয়নের জন্য। প্রধানমন্ত্রী আস্থা রেখে তাকে মনোনীত করলে তিনি সেই আস্থার মূল্যায়ন করবেন বলে দৃঢ় আশার কথা জানান এই নারীনেত্রী।’

২০১৩ সালে যুদ্ধাপরাধী দেলাওয়ার হোসাইন সাঈদীর ফাঁসির রায়কে কেন্দ্র করে সাতক্ষীরায় চলে স্বাধীনতাবিরোধীদের তান্ডব। তখন তার স্বামী পুলিশ সুপার হিসেবে সাতক্ষীরায় যোগদান করেন। সাত দিনেরও সকল নৈরাজ্য বন্ধ করেন। পরে সহিংসতা ছাড়াই ২০১৪ সালের ৫ জানুয়ারি সংসদ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়। তাছাড়া প্রগতিশীল ও মুক্তিযুদ্ধের চেতনায় সমগ্র সাতক্ষীরাবাসীকে উজ্জীবিত করার লক্ষ্যে তিনি জেলা পুলিশ নারী কল্যাণ সমিতির সভানেত্রী হিসেবে ভূমিকা রাখছেন।