banglanewspaper

বিশ্বনাথ রায়, কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি: কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে বাংলাদেশি এক গরু চোরাকারবারীকে আটক করেছে বিএসএফ। এ সময় একটি চোরাকারবারী দল ভারতের অভ্যন্তরে গরু পাঁচার করে আনার সময় ৩ জন কাঁটাতারের বেড়ায় আটকা পড়ে মারাক্ত আহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে বৃহস্পতিবার ভোরে উপজেলার গোরকমন্ডপ সীমান্তে। 

সীমান্তের একাধিক সূত্রে জানা গেছে, বাংলাদেশি ও ভারতীয় ৮/১০ জনের গরু চোরাকারবারীর দল ভোরে আন্তর্জাতিক পিলার  ৯২৯ এর ৩/৪ সাব পিলারের নিকট দিয়ে ভারতে গরু আনার জন্য যায়। টহলরত ভারতীয় খারিদা হরিদা বিওপি’র ৩৮ বিএসএফ সদস্যরা ওই চোরাকারবারীদেরকে ধাওয়া করে শফিকুল ইসলাম ভুলু (৩০) নামের এক বাংলাদেশি গরু পাঁচারকারীকে আটক করে।  তিনি নাওডাঙ্গা ইউনিয়নের গোরকমন্ডপ গ্রামের মৃত ইব্রাহীম আলীর ছেলে। 

এ সময় বিএসএফের ধাওয়া খেয়ে তিন বাংলাদেশি কাঁটাতারের বেড়ায় আটকা পড়ে গুরুতর আহত হয়। আহতরা হলেন, উপজেলার গোরকমন্ডপ গ্রামের জানে মামুদের ছেলে মমিনুল ইসলাম কাি য়া (৩৭) একই গ্রামের মৃত হজরত আলীর ছেলে আব্দুল জলিল (৩২) ও  আলতাফ হোসেনের ছেলে আশরাফ হোসেন (৩৮)।

বিএসএফের হাতে আটক শফিকুলের বৃদ্ধা মা রাবিয়া জানালেন, তার সন্তান সীমান্তে গেলেই ভারতের বিএসএফ সদস্যরা আটক করে । 

বড় ভাই আব্দুল হামিদ ও রফিকুল ইসলাম বলেন, ভাই শফিকুল ভারতের বিএসএফের হাতে আটক হয়েছেন। আত্মীয়দের মাধ্যমে জানলাম ছোট ভাইকে শুক্রবার সকালে ভারতীয় জেল হাজতে প্রেরণ করেছে। তবে ছোট ভাই গরু চোরাচালানের সঙ্গে জড়িত কি-না জানি না। আটকের বিষয়টি সাবেক চেয়ারম্যান হাসেন আলীর মাধ্যমে বৃহস্পতিবার গোরকমন্ডপ ক্যাম্পের বিজিবিকে জানানো হয়েছে। 

নাওডাঙ্গা ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক চেয়ারম্যান হাসেন আলী ও ইউপি সদস্য আনোয়ার হোনেন জানান, আটকের বিষয়টি স্বজনসহ বিজিবিকে জানানো হয়েছে।

এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি’র অধীন গোরকমন্ডপ ক্যাম্পের নায়েক সুবেদার নজরুল ইসলাম জানান, বিএসএফের হাতে আটকের বিষয়টি স্থানীয় সাবেক চেয়ারম্যান হাসেন আলীর মাধ্যমে জানতে পেয়েছি। তবে বিএসএফ বিজিবিকে এ বিষয় কিছুই জানায়নি। তবে সীমান্তে বিজিবি’র টহল জোড়দার অব্যাহত আছে।