banglanewspaper

নতুন মন্ত্রিসভায় স্থান না পাওয়ার প্রতিক্রিয়ায় বিদায়ী বিদায়ী খাদ্যমন্ত্রী কামরুল বলেছেন, ‘নতুনদের জন্য জায়গা করে দিতে হয়, এটাই নিয়ম।’
সোমবার সচিবালয়ে নিজ দপ্তরে শেষবারের মতো কাজ করেন ঢাকা-২ আসন থেকে নির্বাচিত তিনবারের সংসদ সদস্য। এদিন তাকে সংবর্ধনা জানান মন্ত্রণালয়ের কর্মকর্তা-কর্মচারীরা।

২০০৮ সালে আওয়ামী লীগ ক্ষমতায় আসার পর থেকে ১০ বছর মন্ত্রিসভায় থাকা এই নেতা রবিবারই জেনে গেছেন তিনি নতুন মন্ত্রিসভায় থাকছেন না। অবশ্য কেবল কামরুল নয়, বাদ পড়েছেন আওয়ামী লীগের ডাকসাইটে নেতারাও।

নতুন মন্ত্রিসভার প্রশংসা করে বিদায়ী খাদ্যমন্ত্রী বলেন, ‘প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে নতুন ও পুরাতনদের নিয়ে মন্ত্রিসভা গঠন করেছেন, তা দেশের উন্নয়ন অগ্রযাত্রা অব্যাহত রাখবে। এই মন্ত্রিসভা সময়োপযোগী।’

নতুন খাদ্যমন্ত্রী হিসেবে দায়িত্ব পেয়েছেন নওগাঁ-১ আসনের সংসদ সদস্য সাধন চন্দ্র মজুমদার। তার সাফল্য কামরা করে কামরুল বলেন, ‘তিনি তিনবারের নির্বাচিত সংসদ সদস্য। তিনি মন্ত্রণালয়ের উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখবেন।’

নতুন মন্ত্রীর পাশে থাকতে মন্ত্রণালয়ের কর্মীদের আহ্বানও জানান কামরুল। বলেন, ‘বিগত পাঁচ বছর আমাকে যেভাবে সহায়তা করেছেন, নতুন মন্ত্রী সাধন চন্দ্র মজুমদারকেও আপনারা সেভাবে সহযোগিতা করবেন উন্নয়ন অগ্রযাত্রাকে ধরে রাখতে।’

২০০৮ সালের ২৯ ডিসেম্বরের নির্বাচনে জয়ের পর কামরুল মন্ত্রিসভায় আসেন প্রতিমন্ত্রী হিসেবে। ছিলেন আইন মন্ত্রণালয়ে। পাঁচ বছর দায়িত্ব পালন শেষে ২০১৪ সালের জানুয়ারিতে শপথ নেওয়া মন্ত্রিসভায় তিনি পদোন্নতি পান। পূর্ণ মন্ত্রী হয়ে দায়িত্ব পান খাদ্যের।