banglanewspaper

একাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঢাকা-১৭ আসনে নৌকার প্রার্থী চিত্রনায়ক আকবর আলী খান পাঠান ফারুকের মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে একই আসনে ধানের শীষের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থের করা রিট উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজ করে দিয়েছেন হাইকোর্ট।

এ আদেশের ফলে ফারুকের নির্বাচন করতে আর কোনো বাধা থাকলো না। তবে ফারুকের বিরুদ্ধে করা রিট অন্য কোনো আদালতে করার সুযোগ খোলা থাকলো বলে জানিয়েছেন আইনজীবীরা।

বুধবার বিচারপতি জে বি এম হাসান ও বিচারপতি খায়রুল আলমের হাইকোর্ট বেঞ্চ এ আদেশ দেন। রিটের পক্ষে শুনানি করেন ব্যারিস্টার আহসানুল করিম। তার সঙ্গে ছিলেন ধানের শীষের প্রার্থী আন্দালিব রহমান পার্থ।

ব্যারিস্টার আহসানুল করিম সাংবাদিকদের বলেন, ‘আদালত আমাদের বলেছেন, ঋণখেলাপির কারণে নির্বাচনের পরেও প্রার্থীর মনোনয়নপত্র চ্যালেঞ্জ করে রিট দায়েরের সুযোগ রয়েছে। তাই আমরা আমাদের রিট আবেদনটি উত্থাপিত হয়নি মর্মে খারিজের আবেদন করি। আদালত আমাদের আবেদন মঞ্জুর করেছেন। এ আদেশের ফলে নির্বাচনের পরেও পুনরায় ঢাকা-১৭ আসনে নৌকার প্রার্থী চিত্রনায়ক ফারুকের মনোনয়নপত্র বাতিল চেয়ে রিট দায়েরের পথ খোলা থাকলো।’

এর আগে পার্থের আরেক আইনজীবী ব্যারিস্টার রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছিলেন, ‘খেলাপিঋণ থেকে মুক্ত হতে মনোনয়নপত্র দাখিলের আগে ফারুক হাইকোর্টে রিট করেছিলেন। সে রিটে সোনালী ব্যাংক তার কাছে টাকা পাবে বলে উল্লেখ করেছিলেন। কিন্তু ওই রিট আবেদনটিতে কোনো আদেশ হয়নি। কাজেই ফারুক যে ঋণখেলাপি, এটা তো আত্মস্বীকৃত।’

রিট খারিজের পরে আন্দালিব রহমান পার্থ ঢাকা টাইমসকে বলেন, ‘যেহেতু উত্থাপিত হয়নি মর্মে রিট খারিজ করা হয়েছে, সেহেতু ভোটের পরেও রিট করার সুযোগ রয়েছে। আমি সেটাই করবো। আমাকে নির্বাচন কমিশনে যেতে বলা হয়েছিল, কিন্তু তাদের ওপরে আমার আস্থা নেই।’

চিত্রনায়ক ফারুক বলেন, ‘আদালত সত্যের পক্ষে দাঁড়িয়েছেন। এ রায়ে আমি খুশি। প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আমাকে বুঝেশুনেই মনোনয়ন দিয়েছেন। ঋণখেলাপি হলে তিনি আমাকে মনোনয়ন দিতেন না।’

রাজধানীর গুলশান, বনানী, সেনানিবাস এলাকা নিয়ে গঠিত ঢাকা-১৭ আসনে নৌকা প্রতীকে ভোট করছেন অভিনেতা আওয়ামী লীগের প্রার্থী আকবর হোসেন পাঠান ফারুক।