banglanewspaper

প্রশান্ত কুমার রায়, লালমনিরহাট প্রতিনিধিঃ লালমনিরহাটের ৩টি আসনে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। অন্য প্রতীকের তুলনায় নৌকার পাল্লাই বেশি ভারী। একাদশ সংসদ নির্বাচনে দেশের সব রাজনৈতিক দলের স্বতঃস্ফুর্ত অংশগ্রহণে ভোট এখন উৎসবে পরিণত হয়েছে।

৩০ ডিসেম্বর অনুষ্ঠিতব্য নির্বাচনকে ঘিরে সীমান্তবর্তী জেলা লালমনিরহাটে জমে উঠেছে নির্বাচনী প্রচারণা। গুড়ি গুড়ি বৃষ্টি আর কনকনে শীত উপেক্ষা করে দিনরাত গ্রামেগঞ্জে, হাট-বাজারে বইছে নির্বাচনী হাওয়া। গভীর রাত পর্যন্ত কর্মী সমর্থকদের সঙ্গে করে জেলার আনাচে কানাচে চষে বেড়াচ্ছেন প্রার্থীরা। যদিও শীত নির্বাচনের উষ্ণ হাওয়ায় উপ্তাপে পরিণত হচ্ছে। এরমধ্যে জেলার ৩টি আসনের বিভিন্ন এলাকার অলি গলিতে প্রার্থীদের পোষ্টারে ছেয়ে গেছে।

১৭ লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনে এবার লড়াই চলছে ৫ জন প্রার্থীর মধ্যে। গত নির্বাচনে বিনা ভোটে বিজয়ী নুরুজ্জামান আহমেদ এবারও দলীয় মনোনয়ন প্রত্যাশীকে টপকিয়ে বাগিয়ে নিয়েছেন মহাজোট তথা আওয়ামী লীগের দলীয় টিকেট। নির্বাচনে লড়ছেন নৌকা প্রতীক নিয়ে।

এরমধ্যে জেলার প্রতিটি ওয়ার্ড-ইউপি-উপজেলায় নির্বাচন পরিচালনা কমিটি গঠন করে নির্বাচনী প্রচারে এগিয়ে নুরুজ্জামান আহমেদ। জেলা আওয়ামী লীগ নেতাদের দাবি, শেখ হাসিনা সরকারের উন্নয়ন বর্তমানে দৃশ্যমান। তাই জনগণ ভুল করবে না। তাছাড়া দীর্ঘদিনের পাওয়া না পাওয়ার মান অভিমান ভুলে স্থানীয় আওয়ামী লীগ এক কাতারে চলে আসায় নৌকার বিজয় এখন সময়ের ব্যাপার।

মহাজোট প্রার্থী নুরুজ্জামান আহমেদ বলেন, লালমনিরহাট-২ (কালীগঞ্জ-আদিতমারী) আসনটি ৩৫ বছর ধরে উন্নয়ন হতে বঞ্চিত ছিল। এমপি নির্বাচিত হবার পর প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা উন্নয়নের কথা চিন্তা করে প্রতিমন্ত্রীর দায়িত্ব দেন। আর এজন্যই এলাকার অবিশ্বাস্য উন্নয়ন সম্ভব হয়েছে। সব সময় মানুষের পাশে থেকে কাজ করেছি। অত্র এলাকার মানুষ সৎ, যোগ্য, দক্ষ প্রার্থী হিসেবে আবারও পুনঃনির্বাচিত করবে বলে আমার বিশ্বাস।