banglanewspaper

রাজধানীর নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ের সামনে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষের সময় পুলিশের গাড়িতে হেলমেট পরে লাফানো যুবককে গ্রেপ্তার করেছে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশ। তার নাম এইচ কে হোসেন আলী ওরফে হৃদয় খান। তিনি ছাত্রদলের নেতা বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।

নাম প্রকাশ না করার শর্তে ঢাকা মহানগর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) একাধিক সূত্র এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন। ওইসব সূত্র জানিয়েছে, গ্রেপ্তার হোসেন আলী ছাত্রদলের নেতা। তবে তাকে কখন ও কোথা থেকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে এসব বিষয়ে বিস্তারিত জানাননি তারা।

গত বুধবার বিএনপির মনোনয়ন ফরম নিতে আসা নেতাকর্মীদের সঙ্গে পুলিশের ব্যাপক সংঘর্ষ হয়। এ সময় পুলিশের দুটি গাড়িতে আগুন দেয়ার ছবি আসে। সেদিনের ঘটনার ভিডিও চিত্র এবং স্থিরচিত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করে পুলিশ জানায়, হামলাকারীদের সবাই বিএনপি এবং তার অঙ্গ ও সহযোগী সংগঠনের কর্মী। সংঘর্ষের সময় সাদা হেলমেট, কালো শার্ট ও জিন্স প্যান্ট পরা অবস্থায় ছিলেন হোসেন আলী।

বিএনপির কার্যালয়ের সামনে সংঘর্ষের ওই ঘটনায় অংশ নেওয়া আরও দুই যুবকের পরিচয় শনাক্ত করেছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তারা হলেন সোহাগ ভূঁইয়া ও আশরাফুল ইসলাম ওরফে রবীন। আশরাফুল ঢাকা মহানগর উত্তর ছাত্রদলের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক। সোহাগ শাহজাহানপুর থানা ছাত্রদলের সাধারণ সম্পাদক।

ঘটনার দিন মির্জা আব্বাসের পক্ষে মিছিল নিয়ে সোহাগ ভূঁইয়া, হোসেন আলী ও আশরাফুল নয়াপল্টনে বিএনপি কার্যালয়ে গিয়েছিলেন। সেদিন পুলিশের গাড়িতে যে যুবক আগুন দিয়েছিল তার নাম শাহজালাল খন্দকার বলে জানিয়েছিল আইনশৃঙ্খলা বাহিনী। তিনি পল্টন থানা ছাত্রদলের নেতা।

নয়াপল্টনে সংঘর্ষের ওই ঘটনায় বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য মির্জা আব্বাসকে আসামি করে তিনটি মামলা করে পুলিশ। মামলাগুলোতে গাড়ি ভাঙচুর, অগ্নিসংযোগ, রাস্তা অবরোধ, পুলিশকে মারধর ও সরকারি কাজে বাধা দেয়ার অভিযোগ আনা হয়।