banglanewspaper

এম. ডি. ইউসুফ, স্বরূপকাঠী (পিরোজপুর): স্বরূপকাঠী উপজেলার বলদিয়া ইউনিয়নের বিন্না গ্রামের কাঠের পুলগুলো স্থানীয় ক্ষুদে শিক্ষার্থীদের পারাপারের সুবিধার বিপরীতে যেন মরন ফাঁদে পরিনত হয়েছে। বিন্না কাইলান্তরী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সামনের কাঠের পুলটি তার অন্যতম প্রমাণ।

ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডে ৩টি সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয় রয়েছে যার মধ্যে "দক্ষিন বিন্না কাইলান্তরী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়" অন্যতম। এ বিদ্যালয়ে ছাত্র ছাত্রীদের স্কুলে আসা যাওয়ার জন্য একমাত্র মাধ্যম হলো খালের উপর ঝুঁকিপূর্ণ কয়েকটি পুল। পুলগুলো স্থানীয় জনসাধারন ও কোমলমতি ছাত্র-ছাত্রীদের জন্য তৈরি হয়েছে মরন ফাঁদে, ঘটছে প্রতিনিয়ত ছোটখাট দুর্ঘটনা। 

জানা যায়, স্থানীয় লোকজন ছাড়াও কাঠাপিটানিয়া, লেবুবাড়ী, খেজুরবাড়ী ও সোনারঘোপ, চৌদ্দরশী সহ একটি ইউনিয়নের অধিকাংশ লোকজন যাতায়াতের জন্য উক্ত মাটির রাস্তা ও ঝুঁকিপূর্ন পুলগুলো ব্যবহার করে। এছাড়াও ওই রাস্তা দিয়ে বলদিয়া মাধ্যমিক বিদ্যালয়, রাজাবাড়ী বালিকা মাধ্যমিক বিদ্যালয়, কিন্ডার গার্টেন, দাখিলী মাদ্রাসার ছাত্রী-ছাত্রী সহ প্রায় পাঁচ থেকে সাত হাজার লোক প্রতিদিন যাতায়াত করেন।

বড় ধরনের দুর্ঘটনা থেকে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের বাঁচার জন্য ঝুকিপূর্ন কাঠের পুলগুলো পুনঃনির্মান ও মাটির রাস্তা অন্তত ইট দিয়ে তৈরির অনুরোধ জানিয়েছেন এলাকার সচেতন সমাজ।

বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক বলেন, বিদ্যালয়ে ১৫০ জন ছাত্র-ছাত্রী নিয়মিত পড়াশোনা করে থাকে। ছাত্র-ছাত্রীরা বিদ্যালয়ে আসার পথে পুল পারাপারের সময় প্রতিনিয়তই ঘটে কোন না কোন দূর্ঘটনা। আর বর্ষা মৌসুমে রাস্তা ঘাটের বেহাল অবস্থার জন্য বিদ্যালয়ে আসা ছাত্র-ছাত্রীর সংখ্যা কমে যায়। যার ফলে পড়াশুনায় বিঘ্ন ঘটে।

ইউপি সদস্য মো. বাবুল জানান, আমার ৬নং ওয়ার্ডে ৩টি প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। বিদ্যালয়ে যাতায়াতের জন্য মাটির রাস্তা এবং কাঠের পুল ব্যবহার করতে হয়। যা বর্তমানে পারাপারের অযোগ্য হয়ে পড়েছে এবং ঘটছে প্রতিনিয়ত দূর্ঘটনা। সরকারি কোন বরাদ্ধ না থাকায় ইউপি সদস্য হিসাবে নিজ উদ্যোগে কাঠের পুলগুলো প্রতি বছর মেরামত করতে হয়। এছাড়া ওয়ার্ডে বেশ কয়েকটি ঝুকিপূর্ন পুল সহ মহাজন বাড়ির সামনের পুলটির অবস্থা আরো বিপদজনক।