banglanewspaper

সৈয়দা কুমকুম খায়ের

....................................................

 

বটবৃক্ষ দেখেছি তোমায়, নদীর ওপারে মাঠে। 

কত কষ্টে পারি দিয়েছিলুম, সেই নদীখানা;

কাটাবো বলে কিছু সময়, তোমার ছায়ার নীচে। 

 

বুঝিনি কখনো  বটবৃক্ষ তুমি, আছো মোর গৃহে,

কাটছে জীবন ভালোবাসায়, তোমারি ছায়াতলে।

জন্মের পর হতে বটবৃক্ষ যেন, তুমিই বাবা যে!

তোমার ছায়ার নিচে, স্নেহের পরশে রেখেছো আগলে মোরে।

পারেনি কখনো, কোন সূর দাহ করিতে মোরে এ ভূবনে।

 

জীবনের প্রতিক্ষনে,যত প্রয়োজন ছিল  মনে;

তুমিই মিটিয়েছ তা,সব খুশি  মনে।

জীবনের সব ঝড়ে, ছুটেছি তোমার ছায়াতলে।

রাখোনি কোন চাওয়া অপূর্ণ জীবনে। 

 

তোমার ছায়ার নীচে, কাটছে জীবন কত নিশ্চিতে;

ক্ষনিকের তরে তুমি, দুরে গেলে পরে;

জীবনের চলার গতি যেন, যাও থামিয়ে।

জীবনের কঠিন সময়ে, দাড়িয়ে থাকি স্তব্ধ হয়ে, 

তুমিই পার করো মোরে, চলার রাস্তা বাতিয়ে।

 

তোমার যত চাওয়া পাওয়া, স্বপ্ন শত;

সবই দিয়ে বিসর্জন, স্বপ্ন আমায় নিয়ে গাঁথো।

সকাল থেকে সন্ধ্যা, নেই যেন ক্লান্তি।

মগ্ন থাকো জ্বালাতে, মোর জীবন বাতি।

 

তোমার এত কষ্ট, ত্যাগের দান!

সাধ্য কি আছে মোর, দিবো প্রতিদান?

প্রতিদিন বিধাতার কাছে, একই প্রার্থনা করি।

বটবৃক্ষের ছায়ার নীচে, যেনো আমি  মরি।