banglanewspaper

খেলার তখন ৯৩ মিনিট চলছে। ডি বক্সের ভেতর রোনালদোর হেড থেকে বল যায় ভাস্কুয়েজের কাছে। তাকে পেছন থেকে অতর্কিতভাবে ধাক্কা মেরে ফেলে দিলে পেনাল্টি বাঁশি বাজান রেফারি। আর তাতেই ক্ষুব্ধ হয়ে ওঠে জুভেন্টাস ফুটবলাররা। রেফারির সাথে তর্কে জড়িয়ে নিজের শেষ চ্যাম্পিয়নস লিগে লাল কার্ড দেখেন জুভেন্টাস গোলকিপার বুফন। সেই পেনাল্টি থেকে গোল করে রিয়াল মাদ্রিদকে ঐতিহাসিকভাবে সেমিতে তোলেন ক্রিস্টিয়ানো রোনালদো।

ম্যাচে ১-৩ গোলে হারলেও দুই লেগ মিলিয়ে ৪-৩ গোলের জয়ের সুবাদে সেমিতে চলে রিয়াল। আগেরদিন ১ম লেগ ১-৪ গোলে হেরেও দ্বিতীয় লেগ ৩-০ গোলে জিতে বার্সেলোনাকে কাঁদিয়ে সেমিতে উঠেছিল ইতালিয়ান ক্লাব রোমা। জুভেন্টাসের সামনেও সুযোগ ছিল এমন কিছু করার কিন্তু তারা ব্যর্থ হলো।

অন্তত এক গোলেই সেমিফাইনাল নিশ্চিত এমন পরিসংখ্যানে আক্রমণাত্মক হয়ে উঠে রিয়াল। আর ৯০ মিনিটে সে সুযোগ চলে আসে জিদানের শিষ্যদের সামনে। ডিবক্সে পাওয়া বল দখলে নিতে বেনিতিয়া সামনে থাকা ভাজকুইজকে পেছন থেকে ফাউল করলে পেনাল্টির ‍বাঁশি বাজান ইংলিশ রেফারি মাইকেল অলিভার। এ পর্যায়ে রেফারির সঙ্গে অসাদাচারণ করে লালকার্ড হজম করতে হয় জুভেন্টাসের গোলরক্ষক বুফনকে। পরবর্তীতে রেফারির এ সিদ্ধান্ত যথার্থ ছিলো বলে জানান ভাষ্যকাররা।

পেনাল্টির সুযোগ পেয়ে তা কোনোভাবে হাতছাড়া করেননি রোনালদো। স্পটকিকে ডানপাশে উঁচিয়ে জোরালো শট রিয়াল শিবিরে স্বস্তি এনে দেয়।