banglanewspaper

তথ্যপ্রযুক্তি (আইটি) খাতের ব্যবসায়ীদের শীর্ষ সংগঠন বাংলাদেশ অ্যাসোসিয়েশন অব সফটওয়্যার অ্যান্ড ইনফরমেশন সার্ভিসেসের (বেসিস) পরিচালনা পর্ষদের ২০১৮-২০ মেয়াদের নির্বাচনের ভোটগ্রহণ চলছে। ঢাকার কারওয়ান বাজারের বিডিবিএল ভবনের বেসিস কার্যালয়ে সকাল ১০টা থেকে ভোটগ্রহণ শুরু হয়। কোনোপ্রকার বিরতি ছাড়া এ ভোটগ্রহণ চলবে বিকেল ৫টা পর্যন্ত।

এদিকে যে কোনো ধরনের অপ্রীতিকর ঘটনা এড়াতে ভোট কেন্দ্রে মোতায়েন রয়েছে বিপুল সংখ্যক র‍্যাব ও পুলিশ সদস্য। ভোটকেন্দ্রের বাইরে টহল দিচ্ছে র‌্যাবের ভ্রাম্যমাণ আদালত।

তথ্যপ্রযুক্তি খাতের শীর্ষ এই সংগঠনের ভোটগ্রহণ নিয়ে শুরু থেকে জটিলতা তৈরি হয়। ভোটের মাত্র তিন দিন আগে ২৭ মার্চ বাণিজ্য মন্ত্রণালয় নির্বাচন স্থগিতের আদেশ দিলে নির্বাচনকেন্দ্রিক আলোচনা-সমালোচনা তীব্র হয়। বিষয়টি নিয়ে বেসিসের সাধারণ সদস্য ও নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বি প্রার্থীদের কাছ থেকেও আসে নানা মন্তব্য।

জটিলতা নিরসনে মঙ্গলবার রাতেই নির্বাচন বোর্ডের প্রধান ও প্রতিদ্বন্দ্বি তিন প্যানেলের প্রধানরা বাণিজ্যমন্ত্রী তোফায়েল আহমেদের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। সে সময় বেসিস সদস্যদের সঙ্গে ছিলেন ডাক টেলিযোগাযোগ ও তথ্য প্রযুক্তিমন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার। মন্ত্রীর অনুরোধে বাণিজ্যমন্ত্রী নির্বাচন চালিয়ে যাওয়ার মৌখিক নির্দেশ দেন।

পরে বুধবার দুপুরে ডিটিও’র স্থগিতাদেশ প্রত্যাহারের চিঠি হাতে পান বেসিস সভাপতি সৈয়দ আলমাস কবীর।

বেসিস নির্বাচনে বর্তমানে প্রার্থী ৩১ জন, ৪০ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করার কথা থাকলেও ৯ জন তাদের প্রার্থিতা প্রত্যাহার করেছিল।

৯ জন করে দুই প্যানেলে ১৮ জন উইন্ড অব চেঞ্জ অর্থাৎ লুনা সামসুদ্দোহার প্যানেলে অ্যাসোসিয়েট প্রার্থী নেই, এই প্যানেলে প্রার্থী ৮ জন, ও স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবে ৫ জন প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।