banglanewspaper

কাঠমান্ডুতে বাংলাদেশের এয়ারলাইন্স ইউএস-বাংলার প্লেন বিধ্বস্ত হওয়ার পর দুর্ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন নেপালের প্রধানমন্ত্রী খাড়গা প্রসাদ শর্মা অলি ও স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী রাম বাহাদুর থাপা।

সোমবার (১২ মার্চ) বেলা ২টা ২০ মিনিটে দুর্ঘটনার পর বিকেলে এ খবর দিয়েছে নেপালের সংবাদমাধ্যম দ্য হিমালয়ান টাইমস। তারা দাবি করেছে, দুর্ঘটনাস্থলে গেছেন নেপালে নিযুক্ত বাংলাদেশের রাষ্ট্রদূত মাশফি বিনতে শামসও

ঢাকা থেকে যাওয়া ৭৮ আসনের প্লেনটি পার্বত্য শহর কাঠমান্ডুর ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে অবতরণকালে এ দুর্ঘটনার কবলে পড়ে। বাংলাদেশ সময় সাড়ে ১২টার দিকে ঢাকার হযরত শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর ছেড়ে যায় প্লেনটি।

বাংলাদেশের সিভিল এভিয়েশনের জনসংযোগ কর্মকর্তা এ কে এম রেজাউল করিম বাংলানিউজকে জানিয়েছেন, বিএস২১১ নম্বর ফ্লাইটটিতে ৪ ক্রুসহ প্লেনটিতে আরোহী ছিলেন ৭১ জন।

যুক্তরাজ্যভিত্তিক একটি আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমও জানিয়েছে, প্লেনটিতে ৬৭ যাত্রী ছিলেন। যাদের মধ্যে ২৭ জন নারী, দুই শিশু ও ৩৭ জন পুরুষ ছিলেন। 

নেপালের পর্যটন মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম-সচিব সুরেশ আচার্য্য জানিয়েছেন, দুর্ঘটনাস্থল থেকে ২৫ জনকে উদ্ধার করে নিকটস্থ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

স্থানীয় একটি সংবাদমাধ্যমের খবর, প্লেনটি অবতরণের সময় বিমানবন্দরের পূর্ব পাশে আছড়ে পড়ে। দুর্ঘটনাকবলিত প্লেনের আগুন নেভাতে ঘটনাস্থলে ছুটে গেছেন দমকলকর্মী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা।

ত্রিভুবন আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরের মুখপাত্র প্রেম নাথ ঠাকুর জানান, প্লেনটি অবতরণের সময় তীব্র ঝাঁকুনি খেয়ে দিক বদলে পূর্ব পাশের একটি ফুটবল মাঠে আছড়ে পড়ে। এসময় প্লেনটিতে আগুন ধরে যায়। ঘটনাস্থলে বিমানবন্দরের উদ্ধারকর্মী ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা তৎপরতা চালাচ্ছেন। 

দুর্ঘটনার পর বাংলাদেশিদের জন্য হটলাইন চালু করেছে সেখানে নিযুক্ত দূতাবাস। নম্বরগুলো হলো- Md. Al alamul Emam, কনসুলার +9779810100401 এবং Asit Baran Sarker +9779861467422।