banglanewspaper

বাংলাদেশ-মিয়ানমারের সীমান্তরক্ষীদের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হওয়ার ৩ দিন পরও কোনো সুফল দেখছেন না তুমব্র“ সীমান্তের জিরো পয়েন্টে (শূন্যরেখা) বসবাসরত রোহিঙ্গা ও এ দেশের সীমান্ত এলাকার স্থানীয়রা।

সোমবার সকালেও বান্দরবানের নাইক্ষ্যংছড়ি উপজেলার তুমব্র“ সীমান্তের শূন্যরেখায় সেনা টহল অব্যাহত রাখে মিয়ানমার। নতুন করে বাঙ্কারও খনন করেছে। এ ছাড়া কাঁটাতারের বেড়ার কাছেই অস্ত্রশস্ত্র নিয়ে টহল অব্যাহত রেখেছে মিয়ানমারের বর্ডার গার্ড পুলিশ (বিজিপি) ও সেনারা।

টেকনাফের লেদা রোহিঙ্গা ক্যাম্পের নেতা আবদুল মতলব জানান, তুমব্রু সীমান্তে অতিরিক্তি সেনা ও ভারী অস্ত্রের সমাবেশ ঘটানোর পর এবার টেকনাফের নাফ নদের তীরে সীমান্তে সেনা মোতায়েন করেছে মিয়ানমার । অনুপ্রবেশকারীদের বরাত দিয়ে তিনি আরও জানান, সেনাবাহিনী বড় বড় গাড়ি নিয়ে রাত-দিন টহল দিচ্ছে।

সেনাবাহিনীর সাবরাং হারিয়াখালী ত্রাণ কেন্দ্রে দায়িত্বরত জেলা প্রশাসকের প্রতিনিধি ও টেকনাফ উপজেলার সিনিয়র মৎস্য কর্মকর্তা দেলোয়ার হোসেন জানান,সোমবার টেকনাফের সাবরাং ইউনিয়নের হারিয়াখালী সীমান্ত পয়েন্ট দিয়ে চার পরিবারের ১৩ জন রোহিঙ্গা বাংলাদেশে এসেছেন।

ঘুমধুম ইউনিয়নের চেয়ারম্যান জাহাঙ্গীর আজিজ বলেন, মিয়ানমারের সৈন্য সমাবেশ অব্যাহত আছে। পতাকা বৈঠকের পরও তারা আছে এবং চোখে পড়ার মতো আছে।

এদিকে টেকনাফ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. রবিউল হাসান জানান, নাফ নদীর ওপারের সীমান্তে মিয়ানমারের সেনা মোতায়েনের খবর সংবাদকর্মীদের কাছ থেকে শুনেছি। বিষয়টি খতিয়ে দেখে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হবে।